Join our upcoming 5 day Residential to explore The Art of Being Human.
Learn MoreRead inspiring stories and cultural insights from around the globe.
Read NowExperience electrifying notes of music celebrating rhythm and culture.
Explore
অরিরিৎ কথরিৎ
মরিিাণী, পরিিাি আি হ াযাটসঅযাপপি অপূণণ প্ররিশ্রুরি
আড্ডা মহিমা
ব্রিটেনের নেচার পত্রিকার ২০২৫ এর তালিকা (Nature Index 2025) পৃথিবীর শহরগুলির বিজ্ঞানচর্চার মূল্যায়ন করে। সেই তালিকায় ভারতের বেঙ্গালুরু, দিল্লি, চেন্নাই, পুণে সহ সব কটি বিজ্ঞানচর্চার কেন্দ্র তো বটেই, এমন কি হেলসিংকি, প্রাগ, তেল আভিভ, গোটিংগেন এরও ওপরে কলকাতার স্থান। তারপর একটি হালকা- ফুলকা ইউটিউব ভিডিওতে শুনলাম বাঙালী বিজ্ঞানীদের মেধার কারণ হ'ল আকাশের নীচে যে কোন বিষয় নিয়ে তুখোড় আড্ডা।
পুরনো আমলের আড্ডার কিছুটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা যাঁদের আছে তাঁরা বাঙ্গালী মণীষার বিকাশে আড্ডার ভূমিকা অস্বীকার করবেন না। আবার, একটু সঙ্কোচ হলেও এটাও মানতে হবে যে বাঙ্গালীরা আড্ডা কথাটিকে একচেটিয়া করে ফেললেও সে গোষ্ঠীগত অভ্যাসটি বিশ্বময় চা, কফি বা পাব-এর টেবিলে মস্তিষ্ককে উস্কে দিয়ে মানব সভ্যতার অশেষ উপকার করেছে। কলেজ স্ট্রীটের কফি হাউসে যেমন জ্ঞান ও কলাজগতের অনেক নতুন কাজের সুত্রপাত হত অমর্ত্য, মৃণাল, সত্যজিৎ, সুনীল, শক্তি, অপর্ণা ইত্যাদির আড্ডায়। তেমনই ঘটত ১৮ শতকের শেষার্ধে এডিনবরা’র আড্ডা গোষ্ঠী অয়েস্টার ক্লাব-এ, যেখানে মিলিত হতেন ডাক্তার হয়েও পরে ভূতত্ত্বের জনক হিসেবে খ্যাত জেমস হাটন, অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথ, রসায়নবিদ জোসেফ ব্ল্যাক ও দার্শনিক ডেভিড হিউম, সেই সান্ধ্য আড্ডায় কখনো আসতেন জেমস ওয়াট ও বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন।
হোয়াটস্অ্যাপের আবির্ভাব ও আশাভঙ্গ
আশা ছিল, হোয়াটসঅ্যাপ-এ মনটি খুলে গল্প জমবে বেশ, আজকে দেখি,
মন ঢেকে যায় ফরওয়ার্ড-এ, আড্ডার নেই লেশ।।
দেশ-বিদেশের সীমান্তের বেড়া ভাঙ্গা বিশ্বায়নের পটভূমিতে ২০০৯ সালে হোয়াটস্অ্যাপ্ (হোয়া) চালু হ’ল আর অতি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করলো। তার আগে এসএমএস-এর শুধুমাত্র টেক্সট মেসেজ অথবা ই-মেল এ সাইজের সীমা মেনে অ্যাটাচমেন্ট করে পাঠানোর চেয়ে হোয়ায় অতি দ্রুত ফটো, ভিডিও, লেখা ছাড়া প্রায় বিনি পয়সায় পৃথিবীর যে কোন জায়গায় ভিডিও কলে পৌঁছে যাবার সুবিধে তার আগের জনপ্রিয় অবতার স্কাইপ্-কে প্রায় বিলুপ্তির মুখে ঠেলে দিল। অধিকন্তু, একসাথে আট জনের ভিডিও কলের সুযোগ থাকায় নতুন অ্যাপ্টি শুধু দেশ নয়, আন্তর্জাতিক পরিবেশে আড্ডা মারার, আইডিয়া দেওয়া নেওয়ার সুযোগ তৈরী করেছিল।
আজ প্রায় এক দশক পর হোয়া দুনিয়ার দিকে তাকিয়ে মনে হয়, তার জন্মক্ষণের আশা ও প্রতিশ্রুতির অনেকটাই যেন অপূর্ণ থেকে গেল। মুক্তমনে আলোচনার দিগন্তবিসারী অঙ্গন-এর সম্ভাবনা অজস্র সঙ্কীর্ণ, পাঁচমিশেলি বারংবার উচ্চারিত শব্দমুখর গলিপথে আজ লুপ্তপ্রায়। সাবেক কাল থেকে ইমেল এ ফরোয়ার্ড-এর ব্যবস্থা থাকলেও তা ব্যক্তিকে এতটা আড়াল করে দিতে পারে নি।
হোয়াতে নানা বিষয়ে তৈরি জিনিষ পাওয়া যাচ্ছে বলে ছুটি দেওয়া হচ্ছে নিজেদের চিন্তার অভ্যাসটিকে, ভুলে যাওয়া হচ্ছে প্রত্যেক মানুষই প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি। একের অভিজ্ঞতা বা ভাবনা অন্য কারো মত নয় বলেই ধার করা ভাবনা বা লেখার বাউন্সিং বোর্ড না হয়ে নিজের কথাটি বললে ভালো হোক মন্দ হোক, নতুন কিছু পাওয়া যায়।
মানুষের নিজের কথা না বলে তোতাপাখির মত অন্যের কথা আউড়ে যাওয়া নতুন কিছু নয়। এক শতাব্দীরও বেশী আগে বৃটিশ সাহিত্যিক অস্কার ওয়াইল্ডের বিরক্তি ও হতাশা এরকম ভাবে ফুটেছিল- ‘বেশীর ভাগ লোকই আসলে অন্য লোক, তাদের ভাবনাও আর কারো থেকে ধার করা, তাদের আবেগময় বাক্যাবলীও অন্য কারও উদ্ধৃতি’ (“Most people are other people. Their thoughts are someone else’s opinions, their lives a mimicry, their passions a quotation.”)। আগেকার কালে তবুও পড়া বা শোনা কথা যোগাড় করে, মনে রেখে আওড়ানো সাধারণের পক্ষে সহজ ছিল না। এখন সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘ উদ্ধৃতি বা মতামত এমনিই পাওয়া যায়, তাই তখনকার অল্প-স্বল্প অসুখ এখন অতিমারী (প্যানডেমিক)-র চেহারা নিয়েছে।
দলমাহাত্ম্য
শক্তি যতই হোক, দলছাড়তে ভয় পেয়ে যায়- দেখি বেবাক লোক।
আদিকাল থেকেই মানুষের প্রবণতা স্বেচ্ছায়, আলসেমির আরামে নিজের চিন্তা বিসর্জন দিয়ে কোন একটা দলে ভিড়ে যাওয়ার। সম্মান, সার্থকতার চেয়ে মানুষের মস্তিষ্ক বেশী করে চায় অস্তিত্ব রক্ষা, নিরাপত্তা। দল নিরাপত্তা দেয়, দেয় সমমনস্ক মানুষের সাথে মেলামেশা, আমি-তুমি-তোমরা একই রকম ভাবছি অনুভব করে দ্বন্দ্ব বিহীন নিশ্চিন্ততা। তা ছাড়া, লক্ষ্য করলে দেখা যায় ধার করা মেসেজ গুলিতে প্রায়ই আবেগের মাত্রা, পুরনো আমলের সুখ- দুঃখের কথা বেশী থাকে। আবেগমাখা স্মৃতির তীব্রতার সামনে তথ্য তুচ্ছ হয়ে যাওয়ার গুরুতর ব্যাপারটি নিয়ে কলকাতার ‘চিন্তা’ (CHINTA -Centre for high impact Neuroscience and translational Applications)-য় গবেষণা চলছে।
ডোপামিন
কারণ খুঁজি বাইরে-ঘরে, অজান্তেই রোজ সকাল-সন্ধ্যে আমিই
খুঁজি ডোপামিনের ডোজ।
মানুষ সুখাভিলাষী। সুখানুভূতির রাসায়নিক মূল মস্তিষ্কে ডোপামিনের নিঃসরণ। হোয়া বা অন্য সমাজ মাধ্যমে প্রতিটি অনুকূল মন্তব্য বা ইমোজি ডোপামিনের ডোজ দেয়। সাধারণ লোক দিনে গড়ে ১০০ বারের বেশি ফোন চেক করছেন। নতুন কিছু না পেলে অস্থির হয়ে যাচ্ছেন কিন্তু, ঠিক কী খুঁজছেন- এই অতি সাধারণ তাৎক্ষণিক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছেন না। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিদ্যার অধ্যাপক অ্যানা ল্যাম্বকে (Anna Lambke) বলছেন, স্মার্টফোন ড্রাগ বা অ্যালকোহলের মতই আসক্তি তৈরী করে। সারাদিন ধরে হোয়া বা অন্য সমাজমাধ্যমে আটকে থাকার, পছন্দের টিক, ইমোজি পাওয়ার নেশা, ফোন হাতের কাছে না থাকলেই ছটফটানির উইথড্রয়াল সিনড্রোম আসলে ডোপামিনের জন্য আকুলতা। ফোন কেড়ে নেওয়ায় আত্মহত্যার ঘটনাও ক্রমবর্ধমান।
একটি সাধারণ হোয়া গোষ্ঠীতে অনবরত ‘ঠিক বলেছো’, ‘তোমার ফরোয়ার্ডটি দারুণ’ ধরণের অনুমোদন, প্রশংসা বা ইমোজি নিশ্চিতভাবে পেতে গেলে সবাই মেনে নেবে এমন কথার ভেঁপু হওয়া অনিবার্য হয়ে পড়ে। তার সাথে একই রকম ভাবনার কয়েক জনের সাথে জটলা করে নিজেদের মতের বিরুদ্ধ সমস্ত মতামতকে মনোভূমির সীমান্তে ঠেলে রাখা যায়। এ ব্যবস্থায় ডোপামিন আছে, আরাম আছে, শুধু নেই নিজের মস্তিষ্ক আর মনের অস্তিত্বের অজুহাত (Raison d’etre)। নানা সার্ভেতে দেখা যাচ্ছে কাজ না করায় হোয়া যুগে মস্তিষ্কের অবনতি ঘটছে, কমে যাচ্ছে সংবেদনশীলতা, স্মৃতিশক্তি, অনুসন্ধিৎসা আর বাধাগ্রস্ত হচ্ছে মেধার বিকাশ।
আর একটি সমস্যা হল ভীড়। অক্সফোর্ডের মনোবিদ রবিন ডানবার মানুষ এবং বানরদের (প্রাইমেট) মধ্যে পরীক্ষানিরীক্ষার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছন যে কোন এক ব্যক্তির পক্ষে ১৫০ জনের বেশি মানুষের সাথে কোন অর্থপূর্ণ সম্পর্ক রাখা সম্ভব নয়, অথচ একটি সাধারণ বা কম্যুনিটি হোয়া গোষ্ঠীতে এখন ১০২৪ বা ২০০০ জন সদস্য থাকতে পারেন। স্বেচ্ছায় বা বাধ্য হয়ে এ রকম একাধিক গোষ্ঠীতে গুচ্ছের লোকের সংস্পর্শে এসে জন্মদিন আর নানা উৎসবের শুভেচ্ছা পাঠাতেই আমাদের সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, বন্ধুরা কাছে থেকেও যেন সরে যাচ্ছে দূর থেকে দূরে। অনেক কথা বলেও বাস্তবে মনের কথা বলে হালকা না হতে পারা মানুষ বহু জনতার মাঝে আশঙ্কিত, একাকী হয়ে পড়ছে । সে বড় গভীর অসহায়তা।
মক্ষিরাণী- পক্ষীরাজ
নিজের কথা বলব কী আর, ইমোজি দিতেও ভয়- পাছে মক্ষিরাণী-
পক্ষীরাজের ক্রোধের উদয় হয়।
বেশীর ভাগ মানুষ শিশুকালের অভ্যাসে অভিভাবক খোঁজে, আর সকলেই জানে যারা চিনি খেতে চায় চিন্তামণি তাদের ঠিক যুগিয়ে দেন। যেমন আছেন শিশুমনের মানুষ, তেমনই আছেন অভিভাবকের কর্তব্য পালন করতে উদগ্রীব কিছু ব্যক্তি বা একমনা ক’জন মানুষ যাঁরা হোয়া গ্রুপকে, কেউ বলুক বা না বলুক, লাগাম পরিয়ে সারথি হয়ে বসে যান। এঁদেরকে আমরা মক্ষিরাণী বা পক্ষীরাজ (মক্ষি-পক্ষী) নাম দিতে পারি। মক্ষি-পক্ষী কখনো বলশালী একেশ্বর, কখনো একমতাবলম্বী মুষ্টিমেয় কয়েকজনের একটি গোষ্ঠী।
তার ওপর ছোট-বড় হোয়া সভার শীর্ষে মক্ষি-পক্ষী আসন নেবার পর ‘সকলের ভালোর জন্য’ (?) নানাবিধ ছাঁকনি প্রয়োগ করেন। কিছু মানুষকে প্রত্যক্ষ বাক্যে বা পরোক্ষ ইঙ্গিতে ‘গ্রহণীয় নন’ (persona non grata) প্রতিপন্ন করা এবং স্বকীয় মতামত প্রকাশ, নিজের মনের কথা বলা বা বিষয় নির্বাচন আটকে দেওয়াতে সেসব ছাঁকনি কাজে লাগে। মক্ষি-পক্ষীর আদি অস্ত্র হ’ল আবেগের চাপ বা ইমোশনাল ব্ল্যাকমেলিং। ‘তুই তো জানিস ওর সাথে আমার সম্পর্ক কতটা খারাপ, তবু ওর পোস্ট-কে বুড়ো আঙুল দেখাতে পারলি?’ অথবা, ‘আমি এত ভালো একটা ফরোয়ার্ড করলাম আর তুই সেটা পড়েও চুপ। একটা ইমোজিও কি দিতে পারতি না?’ কিংবা ‘বাইরের বিষয় এখানে টেনে পরিবেশ দূষণ ঘটানো হচ্ছে কেন?’ ইত্যাদি।
এরকম করতে করতে মক্ষি-পক্ষী দ্রুত গ্রুপটিকে এমন বাঁধন-বিহীন বাঁধনে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেন যে অন্যরা কোন কিছু যে মক্ষি-পক্ষীর পছন্দ হবেই সে ব্যাপারে নিশ্চিৎ না হয়ে কিছু লিখতে ভয় পান। এদের আপত্তি এ রকম- তুখোড় পছন্দসই রাজনৈতিক পোস্ট করতে করতেই তাঁরা নির্ভয়ে প্রশ্ন তোলেন, এই গ্রুপে কি রাজনীতি চর্চা হওয়া উচিৎ?’ ‘ফুটবল নিয়ে পোস্ট না হওয়াই ভাল’, কারণ ‘সকলে’ (আসলে তিনি বা তাঁরাই ‘সকল’) উপভোগ করতে পারবে না’, অথবা লেখাটি ভাল বটে, কিন্তু আমাদের জীবনে প্রযোজ্য নয় (যেন বর্ণপরিচয় থেকে ব্যাকরণ বা বিবিধ পাঠ তিনি বা তাঁরা নিজ নিজ জীবনে প্রয়োগ করতে করতেই এতদূর এগিয়েছেন)। গ্রুপটির সাধারণ সদস্যদের সাথে তাঁদের সম্পর্ক একচেটিয়া ব্যবসাদারের। তাঁরা যা দেবেন, যেগুলি অনুমোদন করবেন তা-ই খেতে হবে, নিজেদের খাদ্যোৎপাদন চলবে না। তেমন কিছু জন্মে গেলেও গ্রুপের টেবিলে সে খাবার আনা যাবে না।
মনোভূমির রিপ্যাট্রিয়েশন
বেদখল মনের জমিন ফেরৎ পাবে যবে, বলবে সবাই নিজের কথা যেমন ইচ্ছে হবে।
সপ্তদশ শতকের ফরাসী দার্শনিক রেনে দেকার্ত হয়তো হোয়া দুনিয়ার চিন্তা-মুক্ত, অতি ব্যস্ত বাবু-বিবিদের জীবন্ত বলেই মানতেন না, কারণ তাঁর দর্শনের গোড়ার কথা হ’ল “চিন্তা করি, তাই আমি আছি” (Cogito, ergo sum)। দেকার্ত’কে অনুসরণ করে তখনকার কবি ও সাহিত্য সমালোচক এ এল থমাস লেখেন, “আমি মেনে নিই না, তাই আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি (Dubito, cogito, ergo sum)। অর্থাৎ, এঁদের (একটু চরমপন্থী) মত অনুযায়ী নিজের চিন্তা, নিজের মতবিহীন মানুষ অবয়বধারী প্রেতাত্মা ছাড়া কিছু নন।
নিজের মনোভূমিতে জন্মসূত্রে পাওয়া অধিকার কায়েম করার উপায় কিন্তু হোয়া বা অন্য সমাজ মাধ্যম পরিত্যাগ করা নয়। কাছের-দূরের মানুষের সাথে যোগাযোগ আর ভাব বিনিময়ের এগুলি খুব উপযোগী মাধ্যম। পোষ মানাতে গিয়ে নিজেরাই এদের পোষ্য হয়ে যাওয়া থেকে কী করে বাঁচা যায়, কী করে ফিরে পাওয়া যায় নিজেদের পরিচ্ছন্ন মনোভূমি, তার কোন সাধারণ সমাধান হয়তো নেই। ধনতন্ত্রের বিশেষজ্ঞদের বাণী- ‘ঝুঁকি না নিলে ধনী হওয়া যায় না।’ মনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। মাঝে মাঝে দলের নিরাপত্তার লক্ষ্মণরেখাটির বাইরে পা রাখুন, মক্ষি-পক্ষীর ডিজিট্যাল চোখ রাঙ্গানি বা আধিপত্যপিপাসু কুম্ভীরাশ্রুর ভীতি উড়িয়ে দিয়ে নিজের কথাটি বলুন। ধার করা কথার খোলস ফেলে দিয়ে অ্যাপ-এর আকাশে মেলে দিন শঙ্কাহীন মনের ডানা।
১৫ই জানুয়ারী, ২০২৬
-অরিরিৎ হচৌধুিী
তথ্যসূত্র
অরিজিৎ চৌধুরী
Read more reflections on life, art, and the human spirit from our contributors.
Join us in promoting cross-cultural dialogue, preserving heritage, and fostering global collaborations through art, literature, music, and festivals.